ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬

সাভারের বিএলআরআইতে ঠাঁই হলো ভাইরাল সেই মহিষের

সাভার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২৩, ২০২৬

সাভারের বিএলআরআইতে ঠাঁই হলো ভাইরাল সেই মহিষের

ছবি সংগৃহীত

গত কুরবানি ঈদে ভাইরাল অ্যালবিনো প্রজাতির বিরল মহিষ এখন বিএলআরআইতে স্থান পেয়েছে। মহিষ নিয়ে গবেষণা পরিচালনার জন্য সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিএলআরআই) তার সঠিক যত্নে গবেষণা করবে বলে এক কর্মকর্তা সোমবার জানিয়েছেন।

রাতারাতি বিখ্যাত হওয়া এই প্রাণিটিকে নিয়ে গবেষণার জন্য গঠন করা হয়েছে ১৩ সদস্যের কমিটি।

প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় রোববার জাতীয় চিড়িয়াখানা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএলআরআইয়ের কাছে মহিষটি হস্তান্তর করা হয়। মহিষটি এখন থেকে বিএলআরআইয়ের তত্ত্বাবধানে থাকবে। বর্তমানে মহিষটি ১৪ দিনের প্রাথমিক কোয়ারেন্টিনে রয়েছে।

ইতোমধ্যে মহিষটি দেখভালের জন্য বিএলআরআই কর্তৃপক্ষ মহিষ উৎপাদন ও গবেষণা বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. গৌতম কুমার দেবকে প্রধান করে ১৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে।

ড. গৌতম কুমার দেব জানান, মহিষটি আমাদের কাছে গবেষণার জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে। এই জাতের মহিষ আকর্ষণীয় হওয়ায় মূলত এর জাত উন্নয়নে গবেষণা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে মহিষটিকে প্রাথমিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এর বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। মহিষটি সুস্থ রয়েছে। এখন থেকে এটি আমাদের এখানেই থাকবে।

গত ঈদুল আজহায় কুরবানির জন্য বিক্রি করতে আনা হয় মহিষটি। এরপর দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের আলোচনাতেও উঠে আসে এই অ্যালবিনো প্রজাতির মহিষটি।

গোলাপি আভা মেশানো গায়ের রঙ বিশিষ্ট বিরল অ্যালবিনো ষাঁড় মহিষটি লালন-পালন করেছেন নারায়ণগঞ্জ শহরের রাবেয়া অ্যাগ্রো ফার্মের স্বত্বাধিকারী জিয়াউদ্দিন মৃধা। ঈদের কয়েক দিন আগে রাজধানীর পুরান ঢাকার জিন্দাবাহার (জিঞ্জিরা) এলাকার বাসিন্দা মনিরুজ্জামান ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকায় মহিষটি কিনে নেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এতটাই আলোচিত হয়েছিল যে, শেষ মুহূর্তে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের নির্দেশে ঈদের আগের দিন মহিষটিকে সরকারের জিম্মায় নেওয়া হয় এবং মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায় সংরক্ষণ করা হয়।

বার্তাজগৎ২৪ সাভার প্রতিবেদক

Link copied!